Binandapur Sarbajanin Durgotsav
Kultikri, Jhargram
শরতের মেঘমুক্ত নীল আকাশ, কাশফুলের দোলা আর শিউলির মিষ্টি সুরভিতে ধরণীতে আগমন ঘটে মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দুর্গার—অশুভশক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভশক্তির বিজয়ের বার্তা নিয়ে। পৌরাণিক রামায়ণ অনুযায়ী, লঙ্কা জয়ের পূর্বে শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দেবীর অকালবোধন করেছিলেন। সেই শ্রীরামের আরাধনার স্মৃতির পথ ধরেই আজও প্রতিটি বাঙালি হৃদয় মাতোয়ারা হয় শারদীয় দুর্গোৎসবে।
‘কন্টাই ইউথ গিল্ড’-এর মণ্ডপে মা দুর্গা আসেন কেবল এক মহাশক্তিমান দেবী হিসেবে নয়, আমাদের ঘরের স্নেহের মেয়ে হয়ে—কৈলাসের শ্বশুরবাড়ি থেকে কয়েকদিনের জন্য বাপের বাড়িতে। তাই তাঁকে পরম আদর-যত্নে আগলে রাখার এবং বরণ করে নেওয়ার আকুল ভালোবাসাই মিশে থাকে দেবীর ভোগের প্রতিটি পদে। আর 'সানরাইজ'-এর রকমারি খাঁটি মশলার সুবাস ও স্বাদের অনন্য বৈচিত্র্যে, সাথে শ্রদ্ধাপূর্ণ আন্তরিকতায় নিবেদিত সেই অন্ন রূপ নেয় স্বর্গীয় প্রসাদে।
সপ্তমীতে সাত রকমের ভাজা, অষ্টমীতে আট পদ আর মহানবমীতে নয় রকমের মুচমুচে ভাজার সাথে নিবেদিত হয় ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ি, সুস্বাদু লাবড়া, গরম লুচি, সুজি, টক-মিষ্টি চাটনি, ক্ষীর-পায়েস, রকমারি মিষ্টি ও টাটকা ফলমূল। এভাবেই ভালোবাসার ঢালা সাজিয়ে ঘরের মেয়েকে আপ্যায়ন করে ‘কন্টাই ইউথ গিল্ড’।
তবে বিজয়া দশমীর ভোগের থালা এক অন্য অনুভূতির কথা বলে। সেখানে সুস্বাদু আনন্দের চেয়ে বেশি মিশে থাকে বিদায়ের করুণ সুর, অভিমান আর চোখের জল। বুকের গভীর থেকে ভেসে আসে এক আকুল আর্তি—“আর একটু থেকে যাও না মা!”