ITC - Enduring Value Sunrise Pure Masala

Paharpur Matri Mandir

Lalgola, Murshidabad

🌺 পাহাড়পুর মাতৃ মন্দিরের ৮০ বছরের ভোগের গল্প
মুর্শিদাবাদের লালগোলার পাহাড়পুর। শরৎ এলেই যেন অন্য রূপ নেয় গোটা এলাকা। ঢাকের বাদ্যি, ধূপের গন্ধ আর শিউলি ফুলের সুবাসে চারদিক ভরে ওঠে। আর সেই উৎসবের প্রাণ—পাহাড়পুর মাতৃ মন্দিরের মা দুর্গা।
শোনা যায়, প্রায় ৮০ বছর ধরে এই মন্দিরের পুজোকে ঘিরে চলে আসছে নানা ভোগের ঐতিহ্য। তবে এই ভোগ শুধু খাবার নয়—এর সঙ্গে মিশে আছে গ্রামের মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা আর বহু প্রজন্মের স্মৃতি।
সন্ধিপুজোর সময় মন্দিরের পরিবেশ হয়ে ওঠে একেবারে অন্যরকম। ঢাকের শব্দ থেমে থেমে কানে আসে, প্রদীপের আলোয় মায়ের মুখ ঝলমল করে ওঠে। সেই বিশেষ সময়ে মায়ের উদ্দেশে নিবেদন করা হয় নানা রকম ভোগ।
তার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত—ইলিশ মাছের ভোগ।
অনেকের কাছে হয়তো বিষয়টি আশ্চর্যের, কিন্তু পাহাড়পুরের মানুষের কাছে এই ভোগ যেন মায়ের সঙ্গে তাঁদের পুরনো সম্পর্কেরই একটি অংশ।
বয়স্করা আজও গল্প করেন—একসময় গ্রামের মানুষ সামর্থ্য অনুযায়ী বাড়ি থেকে চাল, ডাল, সবজি, মাছ, মিষ্টি নিয়ে আসতেন। কারও বেশি ছিল, কারও কম; কিন্তু মায়ের ভোগের হাঁড়িতে সবার অংশ মিলেমিশে যেত।
ইলিশের পাশাপাশি ভোগে থাকত খিচুড়ি, লাবড়া, ভাজা, ডাল, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি—আরও কত কী! রান্নার গন্ধে মন্দিরের চারপাশ যেন উৎসবের রান্নাঘরে পরিণত হতো।
এক বৃদ্ধা একবার তাঁর নাতিকে বলেছিলেন—
“মায়ের ভোগে কী আছে সেটা বড় কথা নয় রে।
কত মানুষের ভালোবাসা মিশে আছে, সেটাই আসল।”
সন্ধিপুজো শেষ হলে যখন ভোগ প্রসাদ হিসেবে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছাত, তখন ধনী-গরিবের কোনো ভেদ থাকত না। একই পাতায়, একই সারিতে বসে সবাই মায়ের প্রসাদ গ্রহণ করত।
এই কারণেই পাহাড়পুর মাতৃ মন্দিরের ভোগ শুধু একটি খাবারের আয়োজন নয়—এটি ৮০ বছরের স্মৃতি, পারিবারিক পরম্পরা, গ্রামের মানুষের মিলন এবং মায়ের প্রতি অগাধ বিশ্বাসের গল্প।
আজও যখন ঢাক বাজে, ধূপ জ্বলে আর ভোগের হাঁড়ি চড়ে, তখন মনে হয়—
সময়ের অনেকটা পথ পেরিয়ে সেই পুরনো দিনের পাহাড়পুর আবার ফিরে এসেছে।
🌺 জয় মা দুর্গা। জয় পাহাড়পুর মাতৃমন্দিরের মা। 🙏
পাহাড়পুর মাতৃ মন্দিরের ৮০ বছরের ভোগের গল্প
শরৎ এলেই মুর্শিদাবাদের লালগোলার পাহাড়পুর যেন অন্য রূপ নেয়। ঢাকের বাদ্যি, ধূপের গন্ধ আর শিউলি ফুলের সুবাসে চারদিক ভরে ওঠে। আর সেই উৎসবের প্রাণ পাহাড়পুর মাতৃ মন্দিরের মা দুর্গা।
শোনা যায়, প্রায় ৮০ বছর ধরে এই মন্দিরের পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা ভোগের ঐতিহ্য। এই ভোগ শুধু খাবার নয়, এর সঙ্গে মিশে আছে গ্রামের মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও প্রজন্মের স্মৃতি। সন্ধিপুজোর পবিত্র পরিবেশে মায়ের উদ্দেশে নিবেদন করা হয় নানা ভোগ, যার মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ইলিশ মাছের ভোগ।
বয়স্কদের স্মৃতিতে আজও সেই দিনগুলোর কথা—গ্রামের মানুষ সামর্থ্য অনুযায়ী চাল, ডাল, সবজি, মাছ ও মিষ্টি নিয়ে আসতেন। সবার আনা উপকরণ মিলেই তৈরি হতো মায়ের ভোগ। ইলিশের পাশাপাশি থাকত খিচুড়ি, লাবড়া, ভাজা, ডাল, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি। রান্নার গন্ধে মন্দির চত্বর হয়ে উঠত এক আনন্দময় উৎসবের রান্নাঘর।
এক বৃদ্ধার কথায়, “মায়ের ভোগে কী আছে তা নয়, কত মানুষের ভালোবাসা মিশে আছে, সেটাই আসল।” সন্ধিপুজোর পর ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে মায়ের প্রসাদ গ্রহণ করতেন।
পাহাড়পুর মাতৃ মন্দিরের ভোগ শুধু খাবার নয়—এটি ৮০ বছরের স্মৃতি, পারিবারিক পরম্পরা, গ্রামের মানুষের মিলন ও মায়ের প্রতি অগাধ বিশ্বাসের প্রতীক। আজও ঢাকের বাদ্য, ধূপের গন্ধ আর ভোগের হাঁড়ি যেন ফিরিয়ে আনে সেই পুরনো দিনের পাহাড়পুরকে।

Puja voting code
SUN0293
WhatsApp VOTE SUN0293 to +91 91470 77170
Live rank #200 13 votes
Vote on WhatsApp