Raksha Kalimata Thakurani Mandir Parichalak Samitee
Seoraphuli, Hooghly
খুব সাধারণ রান্নাও ভগবানের কাছে উৎসর্গ করলে তা ভোগে পরিণত হয়। নামীদামি হোটেলে অনেক টাকা খরচ করেও এই ভোগ প্রসাদের মতো স্বাদ, আনন্দ ও তৃপ্তি মেলে না, যা আমাদের পেট, মন ও প্রাণকে একসাথে তৃপ্ত করে।
প্রতি বছরের মতো এবারও 'শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মাতা মন্দির পরিচালক কমিটি' শ্রী শ্রী দুর্গাপূজার আয়োজন করছে। আমাদের পুজো এবার ৬৩ বছরে পদার্পণ করল, যার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো সাবেকিয়ানা। ষষ্ঠীতে বোধন দিয়ে শুরু হয়ে সপ্তমী থেকে দশমী অবধি নানা ফলমূল ও ভোগ-উপাচারে দেবী পূজিতা হন।
নবমীর বিশেষ আকর্ষণ হলো কুমারী পুজো ও ভোগের আয়োজন, যা সত্যিই দেখার মতো। এই ভোগে থাকে খিচুড়ি, আলুর দম, নানা প্রকার ভাজা, চাটনি ও পায়েস। ভোগ প্রথমে মন্দিরে উপস্থিত পুণ্যার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয় এবং পরে এলাকার প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। অনেকেই আলাদা করে বড় মাটির পাত্রে বা মালসায় দেবীকে ভোগ নিবেদন করেন, সেগুলিও তাঁদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর আমাদের পুজোর সুস্বাদু ভোগের সব রান্নাতেই ব্যবহার করা হয় 'সানরাইজ' মশলা।