Charabagan Durgoutsab Committee
Bhandarhati, Hooghly
ভান্ডারহাটি চারাবাগান দুর্গাউৎসব কমিটি (স্থাপিত: ১৪০২)
মহাসপ্তমী: ভোরে নবপত্রিকা স্নান ও কলাবউ প্রবেশের মাধ্যমে পুজো শুরু হয়। ঢাক-ধুনোর মাঝে দেবীর প্রথম অন্নভোগে থাকে গরম গোবিন্দভোগ খিচুড়ি, ঘি-মাখা লাবড়া বা পাঁচমিশালি তরকারি, আলু-বেগুন ভাজা, টমেটো-খেজুরের চাটনি ও মিষ্টি পায়েস, যা মুখে দিলেই মনে হয় পুজো জমে উঠেছে।
মহাঅষ্টমী: অঞ্জলি, ধুনুচি নাচ ও সন্ধিপুজোর দিনে অনেক জায়গায় চাল বারণ থাকে। তাই দুপুরের ভোগে থাকে ফুলকো লুচি, আলুর দম বা ছোলার ডাল এবং ঘি-এ ঠাসা সুজির হালুয়া বা মোহনভোগ। সন্ধিপুজোয় ১০৮টি পদ্ম ও প্রদীপের আলোয় বিশেষ নৈবেদ্য ও ফলমূল নিবেদন করা হয়।
মহানবমী: নবমীর জাঁকজমকপূর্ণ ভোগে সাদা ভাত বা সুগন্ধি বাসন্তী পোলাওয়ের সাথে পনির বা ধোঁকার ডালনা থাকে। তবে শাক্ত মতে পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া পাঁঠার বা বলির মাংসের আমিষ ভোগও দেওয়া হয়। মা-কে খাইয়ে ভক্তরা মহাভোজে মাতেন।
বিজয়া দশমী: দশমীর বিষাদসুরে মায়ের বাপের বাড়ি ছেড়ে কৈলাসে ফেরার পালা। বিদায়বেলায় শরীর ঠান্ডা রাখতে পুরনো ঐতিহ্য মেনে পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা, কচু শাক বা চ্যাং মাছের টক দেওয়া হয়। এদিন অনেক জায়গায় 'অরন্ধন' থাকে। শেষে মাকে মিষ্টিমুখ করিয়ে বিদায় জানানোর পর বাঙালির চিরাচরিত 'শুভ বিজয়া' ও কোলাকুলি শুরু হয়।