Bighati Boy'S Club Sarbojanin Durgotsab Commitee
Bhadreswar, Hooghly
পূজোর ভোগ
ঈশ্বরের প্রতি সেবাই হলো ভোগ। এটি কেবল খাবার নয়; ভক্তি, শুদ্ধতা ও আত্মনিবেদনের প্রতীক। দেবী দুর্গাকে নিবেদিত ভোগ সর্বদা সাত্ত্বিক, নিরামিষ ও পবিত্র হতে হয়, যা পরে আমরা প্রসাদরূপে গ্রহণ করি।
দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দুর্গাপুজোয় ভোগ নিবেদনের এক ঐতিহ্য রয়েছে। অত্যন্ত শুদ্ধ হয়ে নির্দিষ্ট বস্ত্র পরিধান করে কেবল রায় বাড়ির মহিলারাই মায়ের ভোগ তৈরি করতেন, অন্য কারও হাত দেওয়ার নিয়ম ছিল না। সপ্তমী থেকে দশমী প্রতিদিন দুবেলা ভোগ দেওয়া হয়। দুপুরে থাকে বাসমতী চালের ভাত, গোবিন্দভোগের খিচুড়ি বা পোলাও। সাথে পঞ্চব্যঞ্জন (ফুলকপি, বাঁধাকপি, মোচার ঘণ্ট, এঁচোড়ের কালিয়া, পনির, লাবড়া), আলু-বেগুন-পটল-করলা-বড়ি ভাজা, পরমান্ন, মিষ্টি ও ফল। দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, চণ্ডী ও শিবঠাকুরকে আলাদা পিতলের পাত্রে ভোগ দেওয়া হয়।
অষ্টমীর 'মহাভোগে' থাকে খিচুড়ি, পঞ্চব্যঞ্জন, ভাজাভুজি ও পরমান্ন। দশমীতে 'বাসি ভোগ' (পান্তা ভাত, কচু শাক, গন্ধরাজ লেবু) এবং সন্ধ্যায় লুচি বা কচুরির ভোগ দেওয়া হয়। দর্শনার্থীদের দৃষ্টির আড়ালে পুরোহিত কাপড় দিয়ে ঢেকে ভোগ নিবেদন করেন। পরে দর্শনার্থী ও পাড়ার সব বাড়িতে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
নাম: বিঘাটী বয়েজ ক্লাব ঠিকানা: গ্রাম + পোঃ- বিঘাটী, থানা- ভদ্রেশ্বর, জেলা- হুগলী, পিন- ৭১২১২৪।