Mirgoda Sadeshpriyo Youth Sanga
Deulihat, Purba Medinipur
পুজোর ভোগের গল্প ও সাধারন মানুষের অংশগ্রহন
উদভ্রান্ত এক মানব সমাজে স্রষ্টা যখন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিল, বিস্মৃতির অতল গহ্বরে মরা গাঙ্গে যেমন ভরা বান আসে, তেমনি বঙ্গজননীর ক্রোড়ে জন্ম নিল আত্মত্যাগি, নিঃস্বার্থ, দেশ হিতৈষি, পরোপকারি, হৃদয়বান মানুষ। মঙ্গলময়ী মায়ের কৃপায় শুরু হলো মর্তলোকে মায়ের আরাধনা। সাধারন মানুষ শোক, দুঃখ ও দৈনন্দিন অভাব ও দুঃস্থতার মধ্যেও মাকে ঘরের মেয়ের মতো ক্ষুদ্র সামর্থ মতো উপাচার দিয়ে চার পাঁচটি দিন আত্মিক মিলন মেলায় মেতে উঠল জাতি, ধর্ম, সামাজিক সর্বপ্রকার প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে অংশ নিল এই পূজোতে। পূজোতো নয় মিলন মেলা, মেয়ে বৎসরান্তে যেমন পিত্রালয়ে আগমন, এও তাই দুঃখ জর্জরিত মানুষের স্বল্পকালীন মিলন। ষষ্টী থেকে দশমী, পাঁচটি দিনে বাঙালি সামর্থ মতো উপাচারে মেয়ের অভ্যর্থনার কোন রকম ত্রুটি না রাখার চেষ্টা করে। কিশোর থেকে কৈশোর, যুবক থেকে পৌঢ় সব বয়সের ও ধর্মের মানুষ সব দুঃখ ভুলে আনন্দের অপ্লুত ধারায় নিজেকে মনিয়ে নিয়ে সকল দৈন্যতা ভুলে থাকে আর বলতে ইচ্ছে করে -
"এসো মাগো থাকো হেথা-যেও নাকো আর
তোমার পায়ে সামর্থ মতো দিনু উপাচার"
"চারটি দিনের আয়োজনে থাকে যদি ত্রুটি
সকল মানুষ তোমার পায়ে পড়বে হেথায় লুটি'
সংশোধনের অভিপ্রায় থাকবে মনে মনে,
আসছে বৎসর বাঁচিয়ে রাখো মোদের সর্বমনে
বিজয়া নয় মায়ের যাওয়া শুধুই বির্সজন
একটি বছর অপেক্ষাতে থাকবো সর্বক্ষন
অল্প কথায় কল্পনাতে লিখে গেলাম তাই
সবার মনে থাকবে? পাবে কিগো ঠাঁই?