Sishu Uddan Baroyari
Dainhat, Purba Bardhaman
স্বাদ কাহন নবমীর ভোগ ! আহা ! কী স্বাদ ! নবমীর ভোগ লোভনীয় নয়, তৃপ্তিদায়ক,গ্রহণে আত্মা পরিতৃপ্ত হয়। পাড়ার সকলে যখন একসাথে এক পঙক্তিতে বসে সেই ভোগের স্বাদ গ্রহণ করি তখন আনন্দ ,মহানন্দে পরিণত হয়।
শিশুউদ্যান বারোয়ারি পূজা কমিটির এবার তেইশতম দুর্গোৎসব। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পুজোর আনন্দ ,উদ্দীপনা ,জাঁকজমক সবই বেড়েছে।
প্রথম দিকে আয়োজনের পরিমিত। সীমিত ছিল তার পরিসর ।মাটির পাত্রে ভোগের প্রসাদ পৌঁছে যেত সদস্যদের বাড়ি। দর্শনার্থীদের হাতে শালপাতার বাটিতে তুলে দেওয়া হতো ভোগের প্রসাদ।কিন্তু তাতে মনে ভরে না,আনন্দটাও পরিপূর্ণ হয় না। স্থির করা হলো ভোগের আয়োজন হোক প্রতুল। আমরাও সকলে, গরীব-দুঃখী ও সাধারণ দর্শনার্থী একসাথে তৃপ্তি করে গ্রহণ করি মায়ের প্রসাদ । মায়ের কৃপায় যেন অভাব হয়না কোনো কিছুরই।সারা বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মা আসেন পঞ্চমীতে। সারা পাড়ায় শোরগোল পরে যায়। আনন্দের আলোতে ঝলমল করে ওঠে শিশুউদ্যান। ষষ্ঠীতে মায়ের বোধন । সপ্তমী কেটে যায় আড্ডা আর হুল্লোড়ে।অষ্টমীতে ধূপ-ধুনো আর ভক্তিতে - অঞ্জলিতে ঘনীভূত হয়ে ওঠে পূজার আনন্দ। রাত পোহালেই তো নবমী। কাকভোর থেকেই শুরু হয়ে যায় ভোগের প্রস্তুতি। মা কে ভোগ নিবেদন করার পর প্রসাদ পেতে হাজির হই আমরা সবাই। সুগন্ধি খিচুড়িকে সঙ্গ দিতে পাঁচ রকমের ভাজার সঙ্গে আসে নবরত্ন ,চাটনি, পাঁপড় আর শেষপাতে মিষ্টান্ন। মায়ের কৃপা আর সানরাইজ মশলার গুণগত মানের মেলবন্ধনে নবমীর ভোগ অমৃত সমান।